তানভীর ও আবদুল করিম — দুটো ভিন্ন পটভূমি, একই বিশ্বাস
নারায়ণগঞ্জের তানভীর আহমেদ আর রাজশাহীর আবদুল করিম সাহেব — দুজনের বয়সে প্রায় ২০ বছরের ব্যবধান, পেশাও আলাদা। কিন্তু xxx9999 নিয়ে তাদের মতামত মিলে যায় একটাই জায়গায় — উইথড্র প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা।
তানভীর ভাই গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে শিফট ডিউটি করেন। রাত ১০টার পর তার ফ্রি সময়। ঠিক সেই সময়ে ইউরোপের ফুটবল লিগ চলছে। xxx9999-এর লাইভ বেটিং সেকশনে গিয়ে ম্যাচ দেখতে দেখতে বেট দেন। মোবাইল অ্যাপ থাকায় ঘরে বসেই সব কাজ হয়।
তানভীরের কৌশল হলো হাফটাইমের পর বেট দেওয়া। প্রথম হাফ দেখে বুঝতে পারেন কোন দল ভালো খেলছে। তারপর সেই অনুযায়ী বেট দেন। এই পদ্ধতিতে ভুল সিদ্ধান্তের হার কমেছে কারণ সরাসরি ম্যাচ দেখে তারপর বেট হচ্ছে, অন্ধের মতো নয়।
"আমার আগের প্ল্যাটফর্মে উইথড্র দিতাম, ৩–৪ দিন লাগত। xxx9999-এ প্রথমবার উইথড্র দিলাম — ১৮ মিনিটে বিকাশে টাকা ঢুকে গেল। তারপর থেকে আর অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।"
— তানভীর আহমেদ, নারায়ণগঞ্জআবদুল করিম সাহেব একটু ভিন্ন ধরনের মানুষ। রাজশাহীতে কাপড়ের ব্যবসা আছে। বয়স ৪৫, তাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে একটু সতর্ক থাকেন। আগে একটি প্ল্যাটফর্মে টাকা আটকে গিয়েছিল — সেই ট্রমা থেকে ২ বছর অনলাইন বেটিং বন্ধ রেখেছিলেন।
ছেলের পরামর্শে xxx9999 চেষ্টা করলেন। প্রথমে মাত্র ১০০০ টাকা ডিপোজিট করে পরীক্ষা করলেন। জিতলেন, উইথড্র দিলেন — টাকা এল। দ্বিতীয়বার আরেকটু বেশি ডিপোজিট করলেন। ধীরে ধীরে বিশ্বাস তৈরি হলো। এখন তিনি xxx9999-এর নিয়মিত ব্যবহারকারী এবং পরিচিতদের কাছে সুপারিশ করেন।
মেহেদীর গল্প — বোনাস দিয়ে শুরু করে কীভাবে এগোলেন
ঢাকার মেহেদী হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। হাতখরচ সীমিত, তাই বেটিংয়ে বেশি টাকা ঢালার সুযোগ নেই। কিন তু xxx9999-এর স্বাগত বোনাস তার জন্য বড় সুযোগ হয়ে এল।
রেজিস্ট্রেশনের পর প্রথম ডিপোজিটে বোনাস পেলেন। সেই বোনাস দিয়ে ক্রিকেট বেটিং শুরু করলেন — নিজের আসল টাকা তেমন খরচ না করেই প্ল্যাটফর্মটা বোঝার সুযোগ পেলেন। প্রথম মাসে বোনাসের টাকা দিয়েই বেশ কিছু জিতলেন, সেই জয়ের টাকা থেকে আবার বেট দিলেন। এইভাবে ধীরে ধীরে ব্যালেন্স বাড়তে থাকল।
মেহেদীর পরামর্শ নতুনদের জন্য খুব কাজে লাগে: "xxx9999-এর বোনাস অফারগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। শর্তগুলো বুঝে নিন। তারপর সেই অনুযায়ী বেট দিন। বোনাস মানে বিনামূল্যে সুযোগ — এটা কাজে লাগান।"
তিন মাসে মেহেদী ক্রিকেট আর জ্যাকপট দুটোতেই সক্রিয় হয়ে গেছেন। জ্যাকপট গেমে মাঝেমধ্যে বড় জয় আসে, আর ক্রিকেটে নিয়মিত ছোট জয় আসে। দুটো মিলিয়ে তার বেটিং এক্সপেরিয়েন্স বেশ ভালো।